ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এ. জায়েদ

৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:০১

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ২৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

10020_88.jpg
বক্তব্য রাখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল হাসান মো. সাদেক
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ২৩ তম বার্ষিকীতে পদার্পন করলো।
আজ শুক্রবার (০৪) জানুয়ারী রাজধানীর উত্তরার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণিল ও আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে কেক কেটে ২৩ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শুভানুধ্যায়ীরা। সকাল ৯:০০ টায় বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল হাসান মো. সাদেক বেলুন উড়িয়ে ও আকাশে পায়রা অবমুক্ত করে বর্ষপূর্তির সূচনা করেন। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসের বাইরের সড়কে বর্ণিল র‌্যালিতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আগত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান এবং ভিসিকে বিভিন্ন বিভাগের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এইউবির অডিটরিয়ামে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিট্রারার ড. শাহ আলমের সভাপতিত্বে র‌্যালি পরবর্তী আলোচনা সভা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কেএম মনিরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর আব্দুস সালাম- ডিন (স্কুল অব বিজনেস), প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান-ডিন( স্কুল অব সোশাল সাইয়ন্স), এসএম ইয়াসিন আলী - বোর্ড অব ট্রাষ্টি, ড. মো. জাফর সাদেক- চেয়ারম্যান বোর্ড অব ট্রাষ্ট্রিস, মাহবুব কামাল- এ্যালামনাই ফ্যাকাল্টি, ও রাকিবুল ইসলাম- এডমিন অফিসার- মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি অষ্ট্রেলিয়া। এছাড়াও বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রাষ্টি ও সিন্ডিকেটের সদস্য ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইউবির প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য ড. আবুল হাসান মো. সাদেক বলেন, এশিয়ান ইউনিভার্সিটির যাত্রাটি অনেক কঠিন ছিল। একটি স্বপ্ন ও কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে আজ এই অবস্থানে এইউবি। এই বিশ^বিদ্যালয়টি দেশের আপামর জনতার জন্য উচ্চতর শিক্ষা সেবা সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। বিশ^বিদ্যালয়টি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে করা হয়নি। এখানে মধ্যবিত্ত, গরীব, উচ্চবিত্ত সকলের জন্য সহজতর ও স্বল্পব্যয়ে শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ পাচ্ছে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে সকল চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রত্যয়ী হওয়ার আহবান জানান। কোয়ালিটি এডুকেশন ও কোয়ালিটি সার্ভিস নিশ্চিত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রতি তিনি দৃষ্টি আর্কষণ করেন। তিনি ২০১৯ সালকে ‘কোয়ালিটি এডুকেশন ও কোয়ালিটি সার্ভিস’ প্রদানের বছর ঘোষণা করেন।

এরপর সমাপনী বক্তব্যে আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার ড. শাহ আলম সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।