ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি, সিলেট:

১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:০১

খুলনার বিপক্ষে রানের পাহাড় চিটাগংয়ের

10470_খেলা.jpg
চিটাগং ভাইকিংসের দলে আহামরি কোন টি-২০ তারকা নেই। মোহাম্মদ শাহজাদ, ক্যামেরুন দেলপোর্তরা ভালো খেলছেন কিন্তু টি-২০ ক্রিকেটের বিজ্ঞাপন তাদের বলা চলে না। দেশীদের মধ্যে মুশফিকের যা তারকা খ্যাতি আছে। তবে মোসাদ্দেক, তরুণ নাঈম হাসান কিংবা দাশুন শানাকারা ঠিক টি-২০ তারকা নন। বোলারদের মধ্যে আবু হায়দার-খালেদ আহমেদরা কেবল জাতীয় দলের অভিজ্ঞতা নিয়েছেন। সাদামাটা এই দল নিয়েও বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে দারুণ উজ্জ্বল সাগরিকার দল চিটাগং ভাইকিংস।

চলতি আসরের আগের চার ম্যাচের তিনটিতে জয় তুলে নিয়েছে তারা। আর পঞ্চম ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে শুরুতে ব্যাট করে তুলেছে দুইশ' ছাড়ানো রান। এবারের আসরে সাদামাটা এই চিটাগংই প্রথম দুইশ' রানের গন্ডি মাড়ালো। মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে তুললো ২১৪ রান। গেল আসরেও তারা একবার দুইশ' গন্ডি ছাড়িয়ে তুলেছিল ২১১ রান। এবার সেই রানও পেরিয়ে গেলো। করে ফেলল রেকর্ড।

বিপিএলে সর্বোচ্চ ইনিংস ২১৭ রানের। ২০১৩ সালের আসরে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ওই রান তুলেছিল ঢাকা ডায়নামাইটস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান মুশফিকদের করা শনিবারের ২১৪ রানের ইনিংসটি। আগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ছিল রাজশাহীর বিপক্ষে খুলনার ২১৩ রান। গেলবার মুশফিক রাজশাহীতে ছিলেন। এবার চিটাগংয়ের হয়ে সেই শোধ নিলেন মুশি। এছাড়া ২০১৩ সালে বরিশালের বিপক্ষে ২১৩ রান তোলে রাজশাহী।

খুলনার বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট নিয়ে অবশ্য ভালো শুরু হয়নি চিটাগংয়ের। ভাইকিংসদের দলের ১৭ রানের মাথায় ডেলপোর্ট এবং ৫৩ রানে ফিরে যান শাহজাদ। আফগান উইকেটরক্ষক করেন ১৭ বলে ৩৩ রান। এরপর ইয়াসির আলী এবং মুশফিক দারুণ জুটি গড়েন। দু'জনে মিলে তুলে ফেলেন ৮৩ রান। স্থানীয় ক্রিকেটার ইয়াসির ৩৬ বলে তিন ছক্কা ও পাঁচ চারে ৫৪ রান করে ফেরেন।

এরপর মুশফিক ৩৩ বলে আট চার ও এক ছয়ে ৫২ রান করে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শেষটায় দাশুন শানাকার ১৭ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংসে দুইশ' ছাড়ানো সংগ্রহ পায় চিটাগং। এছাড়া আফগান নাজিবুল্লাহ জাদরান ৫ বলে ১৬ রান করেন। খুলনার হয়ে ডেভিড ওয়াইস ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট। বাকিরা সমানে চার-ছক্কা খেয়েছেন চিটাগংয়ের ব্যাটসম্যানদের কাছে।