ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

স্পোর্টস ডেস্ক:

২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২৩:০১

আবারও মোস্তাফিজই জেতালেন রাজশাহীকে

10691_images.jpg
রাজশাহী কিংস নির্ধারিত বিশ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৭ রান তোলে। জবাবে চিটাগং ভাইকিংস ৮ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান করে। রাজশাহী ম্যাচ জেতে ৭ রানে।

এই মোস্তাফিজকেই তো বারবার চাইবেন রাজশাহী কিংসের সমর্থকরা। যে ম্যাচের জয় উৎসবের মঞ্চ সাজিয়ে রাখবে প্রতিপক্ষ আর সেখানে উঠে জয়োল্লাসটা করবেন মোস্তাফিজ। শনিবার বিপিএলে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের বিরুদ্ধে ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজের শেষ স্পেলের অসাধারণ বোলিংয়ে ৭ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেহেদি হাসান মিরাজের রাজশাহী।

এই জয়ে ১০ ম্যাচে পাঁচ জয় পাঁচ হারে দশ পয়েন্ট গুছিয়েছে রাজশাহী।

চট্টগ্রামের একটা চমক দেখিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। আঠারোতম ওভারে যখন বল হাতে নিলেন তখন মুশফিকদের জয়ের জন্য দরকার ২৭ রান। হাসি মুখে এই রান পাড়ি দিতে চেয়েছিল বন্দর নগরীর দলটি। কিন্তু বোলার যখন মোস্তাফিজ তখন আপনাকে অন্যভাবে খেলা দেখা জরুরী। হয়েছেও তাই। ৬ রান দিয়ে ওভার শেষ করলেন।
আর শেষ ওভারে জয় থেকে ১৩ রান দূরে। তখন তো রীতিমত বারুদ রূপে কাটার মাস্টার। সিকান্দার রাজাকে বোল্ড করার পর তিন বলে দিলেন মাত্র চারটি রান। এরপরে আবারও বোল্ড ও ডট। ব্যস রাজশাহীর জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি চট্টগ্রামের তৃতীয় হার।

১৯৯ রানের লক্ষ্যে চিটাগংয়ের হয়ে শেহজাদ ও ইয়াসির আলী চেষ্টা করেছিলেন। মুশফিক ও সিকান্দার রাজাও জয়ের দিকে তরি ভেড়াচ্ছিলেন। কিন্তু মোস্তাফিজের শিকারে পরিণত হলে আপনার আর কিছুই করার থাকে না। ২২ বলে ৪৯ রানে ঝড় শুরু করেছিলেন শেহজাদ, ৩৮ বলে তো ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছেন ইয়াসির। আর মুশফিকের ২২ রানের পর সিকান্দারও খেলেন ১৫ বলে ২৯ রানের ইনিংস। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন সৌম্য ও চার্লস। ২৬ রানে সৌম্য ফিরলেও ছন্দে থাকা লরি ইভান্স চার্লসের সঙ্গে গড়েন ৭০ রানের জুটি। ৩৬ রান করে বিদায় নেন ইভান্স। ফিফটির পর আবু জায়েদ চৌধুরীর বলে লেগ বিফোর হয়ে ফেরেন চার্লস (৫৫)।

এরপর ক্রিজে নেমেই বোলারদের ওপর চড়াও হন ডোশাটে। তরুণ অফ স্পিনার নাঈমকে হাঁকান টানা তিন ছক্কা। রান আউট হয়ে থামেন চার ছক্কায় ১১ বলে ২৭ রান করা ডোশাটে। আর ৩ রানে জীবন পাওয়া ক্রিশ্চিয়ান জঙ্কার দলকে নিয়ে দুইশ রানের কাছে। প্রোটিয়া এই ব্যাটসম্যান ১৭ বলে ৩৭ রান করেন। ৪ ওভারে ২৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জেতানো বোলিং করা মোস্তাফিজ ম্যাচসেরা হন।