ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG

জবি প্রতিনিধি

৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০২

জবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষ

10892_ju.jpg
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে।

সংঘর্ষ শুরুর পর থেকেই দুই গ্রুপের কর্মীরা ইট পাটকেল, রড, লাঠি সোটা ও নানা রকম দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছে। এছাড়াও সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে দুই পক্ষের কর্মীরাই একাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।

রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে অর্থাৎ ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীরা আসার পর থেকেই এই সংঘর্ষ শুরু হয় যা এখনো চলছে।

জানা গেছে, প্রেমঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পক্ষের কর্মী তুহিনকে মারধর করেন সভাপতি পক্ষের কর্মীরা। পরে সম্পাদকের কর্মীরা একত্রিত হয়ে সভাপতি পক্ষের কর্মী নয়ন ও রিফাত নামের দুজনকে মেরে মারাত্মক ভাবে আহত করে। এর জের ধরে আজ সকাল থেকে ক্যাম্পাসে দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলছে।

অন্যদিকে ক্যাম্পাসের অস্থিতিশীল পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণে নিতে দুপুর প্রায় একটার দিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক ব্যতীত সবকটি সাব গেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

এই মুহুর্তে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলামের কর্মীরা ক্যাম্পাসের মধ্যে অবস্থান নিয়েছে। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের কাছে অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে এক পক্ষ অন্য পক্ষের কোন কর্মীকে দেখামাত্রই রড লাঠি সোটা নিয়ে চড়াও হচ্ছে । এবং মারামারিতে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ নেতা কর্মীই নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে হেলমেট পরিধান করে সংঘর্ষে অংশ নিচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলকে বারবার ফোন করা হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। অপরদিকে জবি প্রক্টর ড. নূর মোহাম্মদ কে ফোন দেওয়া হলে তিনি কলটি কেটে দেন।

এ প্রসঙ্গে কোতয়ালী থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যেকোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ আসেনি বলেও জানান তিনি।