ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG

আবু কাওছার আহমেদ, টাঙ্গাইল থেকে

৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:০২

দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল: কৃষিমন্ত্রী

10953_Madhupur- News- 08-02-2019.jpg
কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ। বাংলাদেশকে আজ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিদেশী ঘুরতে হয় না। অর্থনৈতিকভাবে দেশ উন্নয়ন হয়েছে। কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ নানা দিকে দেশ এখন উন্নয়নের পথে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে দিতে চায় সেই জামায়াত-বিএনপিকে মানুষ বয়কট করতে শুরু করেছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে অসংবাদিত নেতা বানিয়েছিলেন। তেমনি ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে জনগণ বিশ্বের বুকে শেখ হাসিনাকে তেমনি একজন নেতা বানিয়েছেন। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে এদেশের মানুষ বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকাল শুক্রবার মধুপুর উপজেলার ভূটিয়া গ্রামে গারো ব্যাপ্টিষ্ট কন্ভেনশনের ১২৮ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গারো ব্যাপ্টিষ্ট কন্ভেনশনের সভাপতি পা. পঙ্কজ মারাকের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছারোয়ার আলম খান আবু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহাদুজ্জামান মিয়া, মধুপুর পৌর মেয়র মাসুদ পারভেজ, জিবিসির ভূটিয়া চার্চের রেভা. মধুনাথ সাংমা, ভূটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এপ্রিল মৃ ও জিবিসির ডিকন অসুখ হাউই প্রমুখ।

ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গ্রামকে শহরে উন্নীত করা হবে। রাস্তাঘাট, ব্রিজ, খালভাট নির্মাণ করা হবে। যোগাযোগ ক্ষেত্রে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতরু কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ প্রতি ঘরে ঘরে যাচ্ছে। বিদ্যুতের সমস্যা থাকবে না। তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগ অসম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। এদেশের সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ সমান মর্যাদা পাবে। এদেশকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশকে স্বাধীন করা হয়েছে। এ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল কৃষক, শ্রমিক, ঘাটের মাঝি, ছাত্র, জনতাসহ অজ¯্র মায়ের সন্তান। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশকে যারা পাকিস্তান বানাতে চায় তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জঙ্গি নির্মূল করা হবে।

তিনি মধুপুর বনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ বন আমাদের গৌরব ও সম্পদ। এ বনকে রক্ষা করতে হবে। এ বনে যারা গাছ কাটতো তাদেরকে এক প্রকল্পের মাধ্যমে গাছ কাটা থেকে ফিরিয়ে এনে বন পাহাড়ায় নিয়োগ করা হয়েছিল। আবার আরেক প্রকল্পের মাধ্যমে তাদেরকে আবার নিয়োগ করা হবে। এ বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখে মন জুড়িয়ে যায়। এ বন রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। এর আগে গারো ব্যাপ্টিষ্ট কন্ভেনশন অনুষ্ঠানে পৌঁছালে নৃ-গোষ্ঠির মেয়েরা নেচে গেয়ে ফুল ছিটিয়ে থাকে বরণ করে নেয়। মঞ্চে প্রধান অতিথি ড. আব্দুর রাজ্জাককে গারোদের ঐতিহ্যবাহি খুতুব পড়িয়ে দেন। এ কন্ভেনশনে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১১টি সার্কিটের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ২ সহস্রাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন। এ কন্ভেনশন চলবে ৪ দিনব্যাপী।