ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:০২

সোচি শীর্ষ সম্মেলন: রাজনৈতিক উপায়ে সিরিয়া সংকট সমাধানে গুরুত্ব আরোপ

11014_22.jpg
সিরিয়ায় রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া, শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং দেশটির পুনর্গঠনে সহযোগিতা করার প্রত্যয় জানিয়ে ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে একদিনের ত্রিপক্ষীয় সোচি শীর্ষ সম্মেলনে শেষ হয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান নিজ নিজ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধিদল নিয়ে বৃহস্পতিবার এ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। সম্মেলন শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে তিনি নেতা বলেন, জাতিসংঘ ঘোষণা অনুযায়ী সিরিয়ার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার সোচিতে একদিনের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়

যৌথ বিবৃতিতে সিরিয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত করে দেশটির জন্য অবিলম্বে একটি সংবিধান প্রণয়নের ওপর জোর দেয়া হয়।সেইসঙ্গে বলা হয়, সিরিয়ার সকল পক্ষ যেকোনো সমঝোতার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি গেইর পেডেরসেনের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করবে।

ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের শীর্ষ নেতাদের যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অবস্থানরত সিরীয় শরণার্থীদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে দেশে ফিরে আসার ব্যবস্থা করে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়, সামরিক উপায়ে সিরিয়া সংকটের সমাধান হবে না বরং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৫৪ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী সিরিয়ার সকল পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। সেইসঙ্গে রুহানি, পুতিন ও এরদোগান সিরিয়ার বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে আগামী এপ্রিলে কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় বৈঠক আয়োজনের ব্যবস্থা করার জন্য নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান।


যৌথ বিবৃতিতে ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বুধবার রাতের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে নিহতদের পরিবারবর্গের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানানো হয়।

সিরিয়ার চলমান সংঘর্ষের অবসান ঘটিয়ে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অংশ হিসেবে সোচি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এটি এই তিন নেতার মধ্যে এ ধরনের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইরানের রাজধানী তেহরানে তিন নেতার মধ্যে তৃতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।