ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

২৩ ডিসেম্বর ২০১৭, ১০:১২

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারই অচল

111_1.jpg

এনএনবিডি ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ১৮টি কম্পিউটার থাকার কথা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটার ব্রাউজিং ল্যাবটিতে অর্ধেকের বেশি কম্পিউটারই অচল পড়ে আছে। কম্পিউটার না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রন্থাগারের সব কটি কম্পিউটার অচল ছিল। তবে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত আটটা কম্পিউটার মেরামত করে চালু করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, গ্রন্থাগারের কম্পিউটারগুলোতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে গবেষণাপত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ বই বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যায়। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিভিন্ন গবেষণার কাজে গ্রন্থাগারের কম্পিউটারগুলো ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা স্বল্প সময়ের জন্য পাওয়া গেলেও গ্রন্থাগারে প্রতিদিন এই সুবিধা সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলে। যেসব শিক্ষার্থীর কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ নেই তাঁরা নিজেদের ক্লাস ও ল্যাবের পড়া তৈরি করতে গ্রন্থাগারে আসেন। কিন্তু বেশির ভাগ কম্পিউটার অচল হওয়ার কারণে এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

গ্রন্থাগারে নিবন্ধন বই ঘেঁটে দেখা যায়, গত জুন থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র তিন দিন কম্পিউটারগুলো ব্যবহারের রেকর্ড রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এই দীর্ঘ সময় কম্পিউটারগুলো অচল পড়ে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বলেন, এক মাস আগে ইউটিউবে প্রজেক্টের কিছু ভিডিও দেখার প্রয়োজনে গ্রন্থাগারে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সবগুলো কম্পিউটার নষ্ট থাকায় ফেরত আসতে হয় তাঁকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী চতুর্থ বর্ষের শেখ ইকবাল কবির বলেন, ১০ দিন আগে প্রজেক্টের কাজে গ্রন্থাগারে সব কম্পিউটারই অচল দেখেছিলেন।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক মোহাম্মদ আব্দুল খালেক সরকার বলেন, গ্রন্থাগারকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেসব কম্পিউটার প্রদান করা হয় তার সবগুলোই ব্যবহৃত এবং অনেক পুরোনো। ফলে কিছুদিন পরপরই এগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তা ছাড়া ল্যাবের কম্পিউটারগুলো দেখভালের জন্য কোনো টেকনিশিয়ান নেই। ফলে সামান্য ত্রুটি মেরামত করতেও কম্পিউটারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে (আইআইসিটি) পাঠাতে হয়। সেখান থেকে কম্পিউটারগুলো মেরামত হয়ে আসতে মাসখানেক সময় লেগে যায়।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটির পরিচালক বলেন, গ্রন্থাগারের কম্পিউটার দেখভাল করার দায়িত্ব গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের। তবে গত সপ্তাহে গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কম্পিউটার মেরামতের জন্য একটি অনুরোধপত্র তাঁরা পেয়েছেন। এরপর কম্পিউটারগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি কম্পিউটার মেরামত করে গ্রন্থাগারে পাঠানো হয়েছে।
অধ্যাপক আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ক্রমান্বয়ে বাকি কম্পিউটারগুলোও দ্রুত মেরামত করা হবে।