ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG

২৪ মার্চ ২০১৯, ১৫:০৩

আমেরিকার চাপ সত্ত্বেও হিজবুল্লাহ ছাড়বে না লেবানন

11111_Pompeo.jpg

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশ লেবাননকে ইসলামী দল হিজবুল্লাহ ছাড়তে হুঙ্কার ছাড়লেও তা অস্বীকার করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেবরান বাসিল।

হিজবুল্লাহ অথবা স্বাধীনতা এই দুইটির যেকোন একটি লেবাননকে গ্রহণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন পম্পেও।

কিন্তু জেবরান বাসিল বলেন, হিজবুল্লাহ লেবাননের জাতীয় রাজনীতি ও সরকারের অংশ। তারা সন্ত্রাসী সংগঠন নয়, বরং লেবাননে তাদের শক্ত সমর্থন রয়েছে।

সাংবাদিকদের পম্পেও তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান। তিনি বলেন, ইরান ও হিজবুল্লাহর ওপর আমেরিকার দেয়া নিষেধাজ্ঞা ঠিকঠাক কাজ করছে।

প্রমাণ হিসেবে তিনি হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নসরুল্লাহর সম্প্রতি দেয়া টিভি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন। নসরুল্লাহ তার বক্তব্যে দাতাদের কাছে ‘সাহায্য ভিক্ষা চেয়েছেন’ বলে মন্তব্য করেন পম্পেও।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মধ্যপ্রাচ্যে যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে চলছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

২০১৫ সালে ছয় জাতির সাথে ইরানের যে আণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাতে দেশটির ওপর থেকে অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন ওই চুক্তি বাতিল করে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করেছে।

গত বছর অক্টোবর মাসে মার্কিন প্রশাসন হিজবুল্লাহকে ‘বহুজাতিক সন্ত্রাসী’ উল্লেখ করেছে। আমেরিকার ভাষ্য মতে হিজবুল্লাহর জাল পশ্চিম আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকায় বিস্তার লাভ করেছে। এছাড়া অর্থ ও মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে।

এদিকে আমেরিকার ঘোষণা সত্বেও লেবাননের প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য মন্ত্রীরা হিজবুল্লাহকে সমাজ ও রাষ্ট্রের বৈধ অংশ বলে উল্লেখ করেছে।

তবে আমেরিকার কোন পদক্ষেপ হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মযজ্ঞে প্রভাব ফেলেনি বলে আল জাজিরাকে মন্তব্য করেছেন লেখক থানাসিস ক্যাম্বানিস।

উল্লেখ্য, হিজবুল্লাহকে মনে করা লেবাননে ইরানের প্রতিনিধি। এই গোষ্ঠীটি শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী। শুধু লেবানন নয় সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক উভয় তৎপরতা চালিয়ে থাকে হিজবুল্লাহ। লেবাননের সাথে ইসরাইলের সীমান্ত রয়েছে।