ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG

স্টাফ রিপোর্টার

১ এপ্রিল ২০১৯, ১০:০৪

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

11153_1.jpg
সংগৃহীত ছবি
  • মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখ ৫১ হাজার
  • ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী
  • কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৫৮০ টি
  • আটটি সাধারণ বোর্ডে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০
  • মাদরাসা বোর্ডের অধীনে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন 
  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী 
আজ থেকে সারা দেশে একযোগে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা   সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয়েছে, চলবে দুপুর ১ টা পর্যন্ত।এবার ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে বলে আন্তঃবোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্রে বলা হয়েছে।

আজ বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র দিয়ে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ১১ মে। ১২ মে থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২১ মে শেষ হবে। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে আজ থেকে ৬ মে পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আন্তঃবোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির আহ্বায়ক ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গতকাল বিকেলে  বলেন, পরীক্ষা গ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশ্নের নিরাপত্তা এবং ফাঁস রোধে সম্ভাব্য সব পথ বন্ধ করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

এ দিকে গতকাল দুপুরে চট্টগ্রামে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি দাবি করেছেন, প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই। বিগত এসএসসি পরীক্ষার মতো এইচএসসি পরীক্ষাও সুষ্ঠুভাবে সম্পাদিত হবে। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিতে এবং অনৈতিক কোনো লেনদেন না করতে তিনি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, যারা এই রকমের অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত থাকবে তাদের কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হবে। সব গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় রয়েছে।

প্রশ্ন ফাঁস রোধে ২২ ধরনের পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করতে হবে, প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা, বহুনির্বাচনী পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট ও তত্ত্বীয় পরীক্ষার জন্য আড়াই ঘণ্টা নির্ধারণ থাকবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিটি আগে প্রশ্নপত্র নির্বাচন করে তার কেন্দ্রে জানানো হবে এবং সে সেট প্রশ্নই বিতরণ করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের ভেতর কোনো পরীক্ষার্থী মোবাইল বা যেকোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না, কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। বিলম্বে প্রবেশ করা পরীক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ বোর্ডে প্রতিবেদন আকারে পাঠাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কেন্দ্র সচিবদের। পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো কাজের সাথে সম্পৃক্ত নন, এমন কোনো ব্যক্তির কেন্দ্র প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্রে ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।

আন্তঃবোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রে ব্যবস্থাপনা ও প্রশ্নপত্র বিতরণ নিয়ে যে অব্যবস্থাপনার সৃষ্টি হয়েছিল এইচএসসিতেও যেন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ডিজিটের রোল নম্বর প্রদান করা হয়েছে।

উভয় পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদা কক্ষ, আসন বিন্যাস ও আলাদা প্রশ্ন প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের জন্য আলাদা প্রশ্ন প্রণয়ন এবং আলাদা প্যাকেটে প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়েছে। সব প্রশ্ন এরই মধ্যে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের ট্রেজারিতে পৌঁছানো হয়েছে। আজ সকালে সেগুলো কেন্দ্র সচিবরা সংগ্রহ করবেন।