ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG

৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৩:০৪

‘সিরিয়ার অখন্ডতা রক্ষায় কাজ করবে তুরস্ক-রাশিয়া’

11225_Erdogan.jpg

সিরিয়ার অখন্ডতা রক্ষায় তুরস্ক-রাশিয়ার যৌথ প্রচেষ্টা দারুণ কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে দেশটির রাজধানী মস্কোতে বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট এরদোগান একথা বলেন। খবর তুর্কি গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ’র।

এরদোগান বলেন, সিরিয়ার অখন্ডতা বেশ ভঙ্গুর অবস্থায় আছে। অখন্ডতা রক্ষায় তুর্কি-রাশিয়ার বোঝাপড়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, সিরিয়ার অখন্ডতা রক্ষা করা।

বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও একই বিষয়ে জোর দেন।

এরদোগান বলেন, ইদলিব পরিস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানের জনগণ চলে যেতে থাকলে তারা তুরস্কে আসবে। ব্যাপারটা খুবই সংবেদনশীল আমাদের জন্য। রাশিয়া ও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে ঠেকাতে।

উল্লেখ্য, ইদলিব সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সর্বশেষ আস্তানা। সিরিয়া সরকার এখানে হামলা চালিয়ে তাদের উচ্ছেদ করতে চায়। কিন্তু প্রায় ৭০ হাজার বিদ্রোহী ছাড়াও কয়েক লাখ মানুষ এখানে বাস করে। উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে গেলে এখানে প্রচুর হতাহতের আশঙ্কা করা হয়। এছাড়া প্রচুর শরণার্থীর ভিড় হবে ইদলিব-তুরস্ক সীমান্তে।

তুরস্কে এখন ৩৬ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪২জন সিরিয় শরণার্থী আছে। ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে শরণার্থীরা তুরস্কে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তুরস্ক এখন পর্যন্ত ৩ হাজার কোটি ডলার খরচ করেছে তাদের পেছনে। বর্তমানে তুরস্কের অর্থনীতি বেশ কোনঠাসা হয়ে পড়েছে।

অবশ্য ইদলিব নিয়ে রাশিয়া-তুরস্কের পদক্ষেপ এবারই প্রথম নয়। এর আগে দুই দেশের চেষ্টায় ইদলিবে বেসামরিক জোন তৈরি করা হয়। শান্ত অবস্থা বিরাজ করায় কিছু কিছু ইদলিববাসী ফিরতে শুরু করেছেন। কিন্তু আগ্রাসী সিরিয় ও বিদ্রোহী বাহিনীর কারণে কতদিন সেটা বজায় থাকবে সেটা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।