ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:০৪

ট্রাম্পের ফিলিস্তিন নীতির বিরোধিতা করে চিঠি সাবেক ইউরোপিয়ান প্রধানমন্ত্রীদের

11295_3.jpg
ফিলিস্তিনিদের জন্য অকল্যাণকর ইজরাইলকে সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একপেশে নীতিকে প্রত্যাখ্যান করে ইউরোপকে চিঠি দিয়েছে সাবেক উচ্চ পর্যায়ের ইউরোপিয়ানের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। চিঠিতে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরষনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একপেশে নীতির সমালোচনা করা হয়েছে।

চিঠিতে ইউরোপকে ফিলিস্তিন সংকটের সমাধানে আমেরিকার শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রত্যাখান করার আহবান জানিয়ে স্বাক্ষর করেছেন সাবেক ২ জন ন্যাটো সেক্রেটারী জেনারেল, ২৫ জন সাবেক মন্ত্রী এবং বিভিন্ন দেশের ৬ জন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

ফিলিস্তিন-ইসরাইল শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইউরোপের মূলনীতির বাস্তবায়নের এটিই উপযুক্ত সময় উল্লেখ করে ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় সরকারগুলোর পাশাপাশি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানের কাছে পাঠানো হয়েছে । যেখানে দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহবান জানানো হয়েছে।

জেরুজালেমকে ফিলিস্থিনের রাজধানী করে ইজরাইল ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র সৃষ্টি না করার পরিকল্পনাকে অবশ্যই ইউরোপকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। পত্রিকার এক্সক্লুসিভ অংশে এমন খবরই প্রকাশ করা হয়েছে।

চিঠিতে ট্রাম্পের জেরুজালেমের বিষয়ে ট্রাম্পের একপেশে স্বীকৃতির সমালোচনা করে বলা হয়েছে, ’ যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন দুর্ভাগ্যজনকভাবে দীর্ঘস্থায়ী নীতি থেকে বিচ্যুত হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইজরাইলীদের অবৈধ বসতি স্থাপনের বিষয়ে উদাসীনতা দেখাচ্ছে এবং প্যালেস্টাইনিদের সাহাযার্থে কোটি কোটি ডলার খরচ করছে।যা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের জন্য নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে জুয়া খেলার মত কাজ।

ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেন মার্ক আরল্ট, সুইডেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কার্ল বিল্ড,পোলান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলডজিমিরাজ কিমোজিউজ, ইটালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ম্যাসিমো ডি অ্যালিমা বেলজিয়ামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গেই-ভারহফসটাড ও রোমানিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড্যাসিয়ান কিয়ালস যৌথভাবে চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।

এছাড়াও ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, ন্যাটোর সাবেক সেক্রেটারী জেনারেল ইউলি ক্লাইয়েস ও জাভিয়ার সোলানা পাশাপাশি আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন ও যুক্তরাজ্যের সাবেক সচিব ডেভিড মিলিব্যান্ড এবং জ্যাক স্ট্রু ও স্বাক্ষর করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠায় আমরা দৃঢ়প্রত্যয়ী, আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব ও টেকসই অর্থনীতি পূর্বেকার শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতা যৌথভাবে দায়ী। দুর্ভাগ্যজনক হলো ফিলিস্তিন ও ইসরাঈল দুই রাষ্ট্রনীতি ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা দ্রুততার সাথে ধ্বংস হয়।

চিঠিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, যদি সেটি সম্ভব না হয় তাহলে ‘ইউরোপকে অবশ্যই নিজস্ব কর্মনীতি অনুস্মরণ করতে হবে’ ।