ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৩:০২

সুইফটের নেটওয়ার্ক হ্যাক, রাশিয়ার ৬০ লাখ ডলার লুট

1382_SWIFT.jpg

আর্থিক লেনদেনের বার্তা আদান-প্রদানকারী আন্তর্জাতিক মাধ্যম সুইফটের পেমেন্ট নেটওয়ার্ক হ্যাক করে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রায় ৬০ লাখ মার্কিন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে অজ্ঞাত হ্যাকাররা। শুক্রবার রুশ এই ব্যাংক বলছে, হ্যাকাররা গত বছর সুইফটের নেটওয়ার্ক ভেঙে ওই অর্থ চুরি করেছে।

রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সুইফটের নেটওয়ার্কে হ্যাকারদের একটি সফল হামলার ব্যাপারে সুইফট সিস্টেমের অপারেটরের কাছে তথ্য পাঠানো হয়েছে। অবৈধ এই কাজের মাধ্যমে ৩৩৯.৫ মিলিয়ন রুবল চুরি গেছে।

তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য সরবরাহ করতে রাজি হয়নি কেন্দ্রীয় এই ব্যাংকটি।

বিশ্বজুড়ে ১১ হাজার ব্যাংককে যুক্ত করা সংস্থা সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশনের (সুইফট) এক মুখপাত্র বলেছেন, নির্দিষ্ট কোনো ঘটনায় মন্তব্য করে না তাদের এই কোম্পানি। বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি ডলার লেনদেন হয় এই সুইফট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।

সুইফটের মুখপাত্র নাতাশা দে তেরান বলেছেন, ‘আমাদের কাছে যখন সম্ভাব্য জালিয়াতির কোনো তথ্য আসে; তখন আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীকে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা দিয়ে থাকি।’

দেশটির নিয়ন্ত্রক নিরাপত্তা বিভাগের উপ-প্রধানের বরাত দিয়ে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আর্টেম মিচেভ বলেন, ‘হ্যাকাররা অর্থ তুলে নিয়েছে। হ্যাকাররা যখন কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়; তখন এটি তাদের জন্য সহজ কাজ হয়ে যায়।’

ব্রাসেলসভিত্তিক সংস্থা সুইফট বলছে, গত বছর বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নতুন হামলা চালানোর জন্য হ্যাকাররা আরো অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও কৌশল ব্যবহার করছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে সুইফট নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার রাশিয়ার সরকারি ব্যাংক গ্লোবেক্স থেকে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন রুবল চুরির চেষ্টা করে হ্যাকাররা। এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সুইফটের নেটওয়ার্ক ভেঙে প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা।

তবে হ্যাকারদের হামলার সংখ্যা ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রকাশ করে না সুইফট। তবে বেশ কিছু ঘটনায় সুইফটের নেটওয়ার্কে হ্যাকারদের হানার তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে তাইওয়ানের ফার ইস্টার্ন ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ও নেপালের এআইসি এশিয়া ব্যাংক থেকে অর্থ চুরি যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে।