ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

আরিফ হাসান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

২ এপ্রিল ২০১৮, ১১:০৪

এইচ এস সি পরীক্ষার একদিন আগে বিয়ের দাবিতে অনশন

2386_rafsan.jpg
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা জগন্নাথপুর খোচাবাড়ি কুরগাঁও সদর উপজেলা জগন্নাথপুর খোচাবাড়ি এলাকায় তানভীর আহম্মেদের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে গত ৩ দিন যাবত অনশন শুরু করেছে সরকারি মহিলা কলেজের এক পরীক্ষার্থী। রবিবার এই বিয়ষে স্থানীয় চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন প্রভাবশালী ছেলের পক্ষ নিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করলে তা এলাকাবাসী মেনে নেয়নি। অনশনরত ওই শিক্ষার্থী সাথে কথা বলে জানা গেছে, সদর উপজেলা জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর খোঁচাবাড়ি এলাকার ব্যবসায়ি আব্দুল মোতালেবের ছেলে তানভীর আহম্মেদ বাবুর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই ইউনিয়নের ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসএসি পরীক্ষার্থীর সাথে। গত দেড় বছর ধরে সম্পর্কের চলাকালে তানভীর আহম্মেদ বাড়ি বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে মেলামেশা শুরু করে। হঠাৎ ওই শিক্ষার্থী গর্ভধারন করে। তখন প্রেমিকা তানভীর আহম্মেদ বাবুকে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করে। তানভীর বিয়ে করতে রাজির আগে প্রেমিকাকে শর্ত দেয় গর্ভে ভ্রুন নষ্টের জন্য। বিয়ের জন্য অবশেষে গত ৩ মাস আগে ভ্রুন নষ্ট করে ওই শিক্ষার্থী। কিন্তু ভ্রুন নষ্টে পড়ে তানভীরকে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করলে বিয়ে করতে অশ্রুতি জানান সে। অবশেষে ওই প্রেমিকা এইচএসএসি পরীক্ষার্থী গত শুক্রবার প্রেমিক তানভীরের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। এলাবাসী অনশনের বিষয়টি অবগত হলে স্থানাীয় ইউপি সদস্য কেদার নাথকে অবহিত করেন। পরে ইউপি সদস্য ঘটনাস্থলে এসে প্রভাবশালী ছেলের বাবা মোতালেবকে ম্যানেজ করে অনশনকারী ওই মেয়েকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া কথা জানান। কিস্তু অনশনকারী ওই মেয়ে ছেলেকে বিয়ের জন্য টাকার বিষয়টি অশ্রুতি জানায়। ওই সদস্য ইউপি সদস্য কেদার নাথ বাড়ি থেকে ছেলে তানভীরকে ছেলে ও তার পরিবারকে ভাগিয়ে দেয়। বিষয়টি রবিবার ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে বসা হবে বলে জানিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসেন। রবিবার সকালে বিয়ের বাড়িতে অনশনের বিষয়টি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় লোকজন পরিষদে বসলে শেষ পর্যন্ত সুরাহা হয়নি। স্থানাীয় ব্যক্তি মেরাজুল জানান, ছেলের পরিবার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ার ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে অর্থ দিয়ে মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। তাই তারা বিয়ের বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করছে। তাছাড়া মেয়েটির কালকে এইচএসসি পরীক্ষা এই মূহূর্তে একটা দূর্ঘটনা ঘটে গেছে মেয়েটির ভবিষৎ অন্ধকার নেমে আসবে। অনশনকারী মেয়ের মা জানান, তানভীর নামে ছেলেটি আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ৩ মাস আগে বাচ্চা নষ্ট করলে বিয়ে করবে বলে উপায় না পেয়ে শহরে এসে বাচ্চা নষ্ট করা হয়। কিন্তু তানভীরকে বিয়ের চাপ দিলে সে অস্বীকৃতি জানায়। অবশেষে আমার মেয়ে বিষের বোতল হাতে নিয়ে বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে অবস্থান করছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ছেলের বাবার কাছে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে মিমাংসা করার প্রস্তাব দেয় আমাকে। আমার মেয়েকে ওই ছেলে বিয়ে না করলে আত্নহত্যা করবে। কালকে তার এইচএসসি পরীক্ষা সেটা দিতে পারবে না মনে হয়। বিয়ের দাবিতে অনশনকারী ওই মেয়ে জানান, তানভীর আমার জীবন নষ্ট করেছে। আমি তাকেই বিয়ে করবো। তার সাথে বিয়ে না দিলে এই বাড়িতে আত্নহত্যা করবো বলে হুমকী প্রদান করে ও অনশনকারী। ছেলের বাবা মোতালেবের সাথে যোগাযোগ করতে তিনি জানান, আমার ছেলে ওই মেয়েকে বিয়ে করবে না। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে মিমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউপি সদস্য কেদার নাথ বলেন, স্থানীয় ভাবে অনশনের বিষয়টি সুরাহা চলছে। সুরাহা না হলে বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে। জগন্নাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিনের কাছে জানতে তিনি বলেন, ছেলে ও তার পরিবার ওই মেয়েকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মেয়ের পরিবার পরিষদে বা থানায় লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্খা গ্রহন করা হবে। ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, অনশনের বিষয়টি আমরা এখনো অবগত নই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানানএলাকায় তানভীর আহম্মেদের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে গত ৩ দিন যাবত অনশন শুরু করেছে সরকারি মহিলা কলেজের এক পরীক্ষার্থী। রবিবার এই বিয়ষে স্থানীয় চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন প্রভাবশালী ছেলের পক্ষ নিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করলে তা এলাকাবাসী মেনে নেয়নি। অনশনরত ওই শিক্ষার্থী সাথে কথা বলে জানা গেছে, সদর উপজেলা জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর খোঁচাবাড়ি এলাকার ব্যবসায়ি আব্দুল মোতালেবের ছেলে তানভীর আহম্মেদ বাবুর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই ইউনিয়নের ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসএসি পরীক্ষার্থীর সাথে। গত দেড় বছর ধরে সম্পর্কের চলাকালে তানভীর আহম্মেদ বাড়ি বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে মেলামেশা শুরু করে। হঠাৎ ওই শিক্ষার্থী গর্ভধারন করে। তখন প্রেমিকা তানভীর আহম্মেদ বাবুকে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করে। তানভীর বিয়ে করতে রাজির আগে প্রেমিকাকে শর্ত দেয় গর্ভে ভ্রুন নষ্টের জন্য। বিয়ের জন্য অবশেষে গত ৩ মাস আগে ভ্রুন নষ্ট করে ওই শিক্ষার্থী। কিন্তু ভ্রুন নষ্টে পড়ে তানভীরকে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করলে বিয়ে করতে অশ্রুতি জানান সে। অবশেষে ওই প্রেমিকা এইচএসএসি পরীক্ষার্থী গত শুক্রবার প্রেমিক তানভীরের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। এলাবাসী অনশনের বিষয়টি অবগত হলে স্থানাীয় ইউপি সদস্য কেদার নাথকে অবহিত করেন। পরে ইউপি সদস্য ঘটনাস্থলে এসে প্রভাবশালী ছেলের বাবা মোতালেবকে ম্যানেজ করে অনশনকারী ওই মেয়েকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া কথা জানান। কিস্তু অনশনকারী ওই মেয়ে ছেলেকে বিয়ের জন্য টাকার বিষয়টি অশ্রুতি জানায়। ওই সদস্য ইউপি সদস্য কেদার নাথ বাড়ি থেকে ছেলে তানভীরকে ছেলে ও তার পরিবারকে ভাগিয়ে দেয়। বিষয়টি রবিবার ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে বসা হবে বলে জানিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসেন। রবিবার সকালে বিয়ের বাড়িতে অনশনের বিষয়টি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় লোকজন পরিষদে বসলে শেষ পর্যন্ত সুরাহা হয়নি। স্থানাীয় ব্যক্তি মেরাজুল জানান, ছেলের পরিবার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ার ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে অর্থ দিয়ে মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। তাই তারা বিয়ের বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করছে। তাছাড়া মেয়েটির কালকে এইচএসসি পরীক্ষা এই মূহূর্তে একটা দূর্ঘটনা ঘটে গেছে মেয়েটির ভবিষৎ অন্ধকার নেমে আসবে। অনশনকারী মেয়ের মা জানান, তানভীর নামে ছেলেটি আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ৩ মাস আগে বাচ্চা নষ্ট করলে বিয়ে করবে বলে উপায় না পেয়ে শহরে এসে বাচ্চা নষ্ট করা হয়। কিন্তু তানভীরকে বিয়ের চাপ দিলে সে অস্বীকৃতি জানায়। অবশেষে আমার মেয়ে বিষের বোতল হাতে নিয়ে বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে অবস্থান করছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ছেলের বাবার কাছে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে মিমাংসা করার প্রস্তাব দেয় আমাকে। আমার মেয়েকে ওই ছেলে বিয়ে না করলে আত্নহত্যা করবে। কালকে তার এইচএসসি পরীক্ষা সেটা দিতে পারবে না মনে হয়। বিয়ের দাবিতে অনশনকারী ওই মেয়ে জানান, তানভীর আমার জীবন নষ্ট করেছে। আমি তাকেই বিয়ে করবো। তার সাথে বিয়ে না দিলে এই বাড়িতে আত্নহত্যা করবো বলে হুমকী প্রদান করে ও অনশনকারী। ছেলের বাবা মোতালেবের সাথে যোগাযোগ করতে তিনি জানান, আমার ছেলে ওই মেয়েকে বিয়ে করবে না। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে মিমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউপি সদস্য কেদার নাথ বলেন, স্থানীয় ভাবে অনশনের বিষয়টি সুরাহা চলছে। সুরাহা না হলে বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে। জগন্নাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিনের কাছে জানতে তিনি বলেন, ছেলে ও তার পরিবার ওই মেয়েকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মেয়ের পরিবার পরিষদে বা থানায় লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্খা গ্রহন করা হবে। ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, অনশনের বিষয়টি আমরা এখনো অবগত নই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান