ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG

ইবি প্রতিনিধি ও এ জায়েদ, ঢাকা

৯ এপ্রিল ২০১৮, ১১:০৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনে ফুঁসে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

2520_quota 2.jpg
আন্দোলনরত সাধারন শিক্ষার্থী
সরকারী চাকুরীতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে পড়েছে। চলমান আন্দোলনে সরকারের একরোখা নীতি ও পুলিশী বর্বরতায় আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সহিংসতায় রুপ নেয়। গতকাল শাহবাগের বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের হামলায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এর জের ধরে আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে অবস্থানরতদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ও ফাকা গুলি চালায় । এতে আন্দোলনকারীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। রাতে ভিসির বাসভবনে ভাঙংচুর ও অগ্নিসংযোগ চালালানোর ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আখতারুজ্জামান বলেন, তার বাসায় হামলাকারীরা শিক্ষার্থী নয়, এরা বহিরাগত।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রী হল থেকেও সাধারন ছাত্রীরা রাতে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে থাকে সড়ক অবরোধ করে। কিন্তু সরকারের দলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ আন্দোলনকারীদের উপর চড়াও হয় এবং মারধর ও গুলি চালায় বলে অভিযোগ করছেন আন্দোলনকারীরা।
রাজধানীতে কোটা পদ্ধতি সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের হামলায় ঢাবি শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে গভীর রাতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এছাড়া কোটা সংস্কার আন্দোলন এখন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারন ছাত্র-ছাত্রী অধিকার সংরক্ষণের ব্যানারে আজ সোমবার সকাল ১০ টায় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী থেকে শান্তিপূর্ণ র‌্যালি করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক পাড় হয়ে রাস্তা যেতে চাইলে পুলিশ তাদের আটকে দেয়।
আন্দোলনকারীরা এখন সেখানেই অবস্থান করে আন্দোলন করে যাচ্ছে। অন্যদিকে সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন আন্দোলনকারীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলীয় টেন্টে অবস্থান নিয়েছে। আন্দোলনকারীরা পুলিশ ও ছাত্রলীগের মাঝখানে অবস্থান করছে। থমথমে পরিস্থিতি মোকাবেলায় কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যায় থানার পাশাপাশি কুষ্টিয়া রেঞ্জ থেকে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে আসছে পুলিশ।

তবে আন্দোলনকারীরা এখনো অপেক্ষায় আছেন প্রধানমন্ত্রীর সাথে যে আলোচনা হওয়ার কথা তার ফলাফলের জন্য। যদি কোটা সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকার উদ্যোগী না হন তাহলে আন্দোলনকারীরা আরো বড় আকাড়ে আন্দোলনে নামবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।