ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ
  • অমর একুশে বইমেলা চলবে ১৭ মার্চ পর্যন্ত**
  • টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে তিনটি ট্রাকের সংঘর্ষে ১ জন নিহত
  • গাইবান্ধায় পুলিশের সাথে বিএনপি’র ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • ঘোষণা ছাড়াই বন্ধ পাসপোর্ট কার্যক্রম, ভোগান্তিতে মানুষ

১৫ মার্চ ২০২২, ১৩:০৩

লাশ তুলে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন হারিছের মেয়ের

26328_115.jpg
হারিছ চৌধুরীর মৃত্যুরহস্য নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে কবর থেকে লাশ তুলে ডিএনএন পরীক্ষার আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি দিয়েছেন হারিছ কন্যা বিলেত প্রবাসী ব্যারিস্টার সামিরা চৌধুরী।

চিঠিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব প্রয়াত হারিছ চৌধুরীর মেয়ে বলেন, ২০২১-এর ৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশের এভারকেয়ার হাসপাতালে কোভিড ১৯-এ মারা যান।

কিন্তু পরিচয় গোপন করার জন্য তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন মাহমুদুর রহমান নামে। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে হারিছ চৌধুরীর নামে যে ডেথ সার্টিফিকেট জারি করা হয়েছিল তাতে তার প্রকৃত নামের পরিবর্তে লেখা ছিল মাহমুদুর রহমান।

মৃত্যুর পর হারিছ চৌধুরীকে জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যানের কাছে একটি মাদ্রাসায় শায়িত করা হয়, ঠিকানা- জালালবাদ, কমলাপুর, বিরুলিয়া, সাভার, ঢাকা। কিন্তু এটি সামিরা এবং তার পরিবারের স্বীকৃত কবরস্থান নয়।

সামিরা জানিয়েছেন, ''আমার প্রয়াত পিতা হারিছ চৌধুরীর আসল পরিচয়ের বিষয়টি পরিবারের পাশাপাশি বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, বাংলাদেশের আইন বিভাগ যদি ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রয়াত পিতার পরিচয় নিশ্চিত করতে চায় তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই।

প্রয়োজনে কবর থেকে বাবার মৃতদেহ তুলেও তারা ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহ করতে পারেন। Therefore, I confirm that I do not have any objection should the Bangladesh law enforcement authority now wish to make arrangements to confirm the identity of my Late father Md A Harris Chowdhury.'' সেই সঙ্গে প্রয়াত পিতার দেহাবশেষ তাদের দর্পননগরের গ্রামে নির্দিষ্ট কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করার আবেদনও জানান সামিরা। একই আবেদন জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং সিআইডি প্রধানের কাছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ই মার্চ মানবজমিন হারিছ চৌধুরীর আত্মগোপনের দালিলিক প্রমাণ হাজির করে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা যায়, ১১ বছরেরও বেশি সময় তিনি ঢাকার পান্থপথে মাহমুদুর রহমান নামে আত্মগোপন করে ছিলেন। এর পর থেকে এই খবরটি নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় দেশে, বিদেশে।