ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি ডেস্ক

৬ মে ২০১৮, ১২:০৫

বিএসএফের বুলেটে অন্ধ হওয়ার পথে বাংলাদেশি স্কুলছাত্র

3149_2.jpg
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোঁড়া রাবার বুলেটের স্প্রিন্টের আঘাতে গুরুতর আহত স্কুলছাত্র রাসেল মিয়ার (১৪) ডান চোখটি ক্রমাগত অন্ধত্বের দিকে চলে যাচ্ছে। চিকিত্সকের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্কুলছাত্র রাসেলের বড় ভাই রুবেল ইসলাম ও ভগ্নিপতি মোয়াজ্জেম হোসেন।

গত তিনদিন ধরে আহত রাসেল মিয়া ঢাকায় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছে। দিন যতই যাচ্ছে ততই রাসেল মিয়ার চোখ অন্ধত্বের দিকে যাচ্ছে।
রাসেল মিয়া উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বালাটারী (নোয়াখালিটারী) গ্রামের দিনমজুর আব্দুল হানিফের ছেলে ও বালারহাট আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্র।

গত ৩০ এপ্রিল বিকালে ফুলবাড়ী উপজেলার কৃষ্ণনন্দ বকসি সীমান্তে বাংলাদেশের ২০ গজ অভ্যন্তরে বারমাসিয়া নদীর উপরে গবাদী পশুর জন্য ঘাস সংগ্রহ করতে গিয়ে ৩৮ ব্যাটালিয়নের নারায়নগঞ্জ ক্যাম্পের বিএসএফের রাবার বুলেটের আঘাতে মারাত্মক আহত হয় রাসেল। পরে আহত রাসেলকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী ও স্বজনরা মিলে ঘটনার দিনই তাকে রংপুরের বে-সরকারি প্রাইম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামিমা নাজমা মল্লিকার বরাত দিয়ে রাসেল মিয়ার বাবা আব্দুল হানিফ ও ভগ্নিপতি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, রাসেল মিয়ার ডান এক চোখ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে, অপর বাম চোখে সামান্য দৃষ্টি শক্তি রয়েছে। তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। ছেলের দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে ডা. শামিমা নাজমা মল্লিকার কথার ভিত্তিতে রাসেলকে ৩ মে রাতেই ঢাকায় নেয়া হয়। ৪ মে সকালে রাসেলকে ঢাকায় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে ওই হাসপাতালের ২৩৬ নং রুমের ৯ নং বেডে চিকিত্সাধীন রয়েছে।
সৌজন্যে: ইত্তেফাক