ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

আবু কাওছার আহমেদ, টাঙ্গাইল থেকে

১৫ মে ২০১৮, ১৫:০৫

এমপি রানা দুইদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

3391_download.jpg
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা পুলিশ রিমান্ডের জিঞ্জাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুর থেকে টাঙ্গাইল পুলিশ অফিসে রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুইদিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানোর নিদের্শ দিয়েছেন। পরে ডিবি পুলিশ বিকেলের দিকে এমপি রানাকে কাশেমপুর কারাগারে নিয়ে যায়।

শনিবার সকালে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে এমপি রানাকে টাঙ্গাইল নিয়ে আসে। দুপুর থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এমপি রানা যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যা মামলায় জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সে তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

দুই যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক কুমার সিংহ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ সোমবার এমপি রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুয়ায়ী রানাকে কে কাশেমপুর কারাগারে দিয়ে আসা হয়েছে।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশোক কুমার সিংহ রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে গত ২ মে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয় দুই যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত তিন আসামীর জবানবন্দিতে এমপি আমানুর রহমান খান রানার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে এসেছে। তাই এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাদের বাড়ি থেকে মোটর সাইকেলযোগে টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। ঘটনার পরদিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এক বছর পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভূক্ত করে। এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ গত বছর ১১ মার্চ, শাহাদত হোসেন ১৬ মার্চ এবং হিরন মিয়া ২৭ এপ্রিল আদালতে এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন এমপি রানার দিক দির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছিল।