ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

আবু কাওছার আহমেদ, টাঙ্গাইল থেকে:

৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:০১

রুপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা

রুপার ভাইসহ আরো তিন জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

399_Tangail Rupa rape pic.jpg

 টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে আইডিয়াল ‘ল’ কলেজের ছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রুপাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত। এ নিয়ে মোট ১২জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো।

৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে তাদের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে আদালত। মঙ্গলবার নিহত রুপার ভাই হাফিজুল রহমান, মধুপুরের স্থানীয় বাসিন্দা কিশোর, আবদুল মান্নান, মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, আবদুল বারেক, লিটন মিয়া, রুবেল মিয়া, হযরত আলী ও আমেনা খাতুন স্বাক্ষ্য গ্রহণের দিন দার্য্য ছিলো। কিন্তু  নয়জনের মধ্যে নিহত রুপার ভাই হাফিজুল রহমান, রুপার সহকর্মী আবদুল বারেক ও মধুপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ আদালতে স্বাক্ষ্য দেয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। নয়জনের মধ্যে নিহত রুপার ভাই হাফিজুল রহমান, রুপার সহকর্মী আবদুল বারেক ও মধুপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ আদালতে স্বাক্ষ্য দেয়। পরে আইনজীবীরা সাক্ষীদের জেরা করেন। আগামী ১৩ জানুয়ারি রবিবার চার ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছে আদালত।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি সোমবার রুপার ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার হওয়ার ঘটনার সাক্ষী লাল মিয়া, হাসমত আলী, ইমাম হোসেন ও রুপার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনের সাক্ষী মধুপুরের স্থানীয় সাংবাদিক এম এ রউফ সাক্ষ্য আদালতে দেন। ৭ জানুয়ারি রবিবার নেওয়া হয় চারজনের সাক্ষ্য এবং ৩ জানুয়ারি বুধবার মামলার বাদী মধুপুরের অরণখোলা ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এ কে এম নাছিমুল আক্তার বলেন,
গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপা খাতুনকে চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে যান পরিবহনশ্রমিকেরা। পুলিশ ওই রাতেই তাঁর লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা করেন।

রুপার ভাই ২৮ আগস্ট মধুপুর থানায় এসে লাশের ছবি দেখে রুপাকে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর (৪৫), সুপারভাইজার সফর আলী (৫৫) এবং চালকের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে গ্রেপ্তার পাঁচজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।