ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

স্টাফ রিপোর্টার:

১০ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:০১

রেকর্ড মুমিনুলের

406_283767_164.jpg
মুমিনুল হক ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন সকালেই। নিজের করা সর্বোচ্চ স্কোর ছাড়িয়ে যেতে পারেননি তখনও। তাই ব্যাট চালিয়ে যাচ্ছিলেন। অবশেষে নতুন রেকর্ড গড়লেন তিনি। নিজের ২৩৯ রানের ইনিংস ভেঙে দিলেন লিটল মাস্টার। গড়লেন ২৫৮ রানের নতুন রেকর্ড।

আজ বুধবার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিটাকে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস বানিয়ে আউট হয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ষষ্ঠ আসরের প্রথম রাউন্ড শুরু হয়েছে মঙ্গলবার।

সাভারের বিকেএসপিতে প্রাইম ব্যাঙ্কের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নামে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। প্রথম দিনই দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। ১৬৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু করেন। করে ফেলেন ডাবল সেঞ্চুরিও। এরপর ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস গড়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশের এই টেস্ট স্পোশালিস্ট ব্যাটসম্যান। ৩৪৪ বল খেলে করেন ২৫৮ রান। এতে ২৩টি বাউন্ডারি আর তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।

এর আগে ২০১৫-১৬ মৌসুমে জাতীয় ক্রিকেট লিগে চট্টগ্রাম বিভাগের হয়ে ২৩৯ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন মুমিনুল।

মুমিনুলের ডাবল সেঞ্চুরি

ডাবল সেঞ্চুরির জন্য মুমিনুলের প্রয়োজন ছিল ৩১ রানের। আজ দ্বিতীয় দিন মাঠে নেমেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করলেন। ১৭তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের শেষ রাউন্ডের খেলায় প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে হাঁকালেন দ্বিশতক।

জাতীয় ক্রিকেট লিগে এটি তার দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রথম দ্বিশতক করেন তিনি। সেদিন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে করেছিলেন ২৩৯ রান। মুমিনুলের সামনে আজ নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ।

মুমিনুল ছাড়াও আজ শতক করেছেন জাকির হাসান। দুই ব্যাটসম্যানের দ্বিশতক আর শতকে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৪৪৮ রান।

এর আগে গতকাল বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে টস জিতে প্রথম ব্যাটিং করতে নেমে ইস্ট দিন শেষে সংগ্রহ করেছে ৩৪০ রান পাঁচ উইকেটে। ৮৩ ওভারে ওই রান করেছেন তারা। দিনের শেষভাগে এসে আলোস্বল্পতায় আর খেলা হয়নি।

দুই ওপেনার ইমতিয়াজ ও লিটন কুমার দাস সূচনা করেছিলেন ইনিংসের। দলীয় ৪৭ রানে লিটন আউট হয়ে যান ২০ রান করে। এ সময় ক্রিজে আসেন মুমিনুল। অপর ওপেনার ইমতিয়াজ ৩৩ করে দলীয় ৮০ রানে আউট হওয়ার পর মুমিনুল একাই যেন লড়ে যান। ইয়াসির আলী, মোহাম্মদ আশরাফুলদের নিয়ে খেললেও এরা আর সুবিধা করতে পারেনি। ইয়াসির ৩৩ ও আশরাফুল আউট হয়ে যান ১৩ করে।

দিনের শেষভাগে এসে জাকিরকে নিয়ে খেলেন দায়িত্বপূর্ণ ইনিংস, যার ওপর ভর করেই দলীয় স্কোর চলে যায় ওই পর্যায়ে। জাকির অপরাজিত ছিলেন ৪৭ রানে। এ জুটি ১৫৬ বলে ১১৩ রানের পার্টনারশিপ নিয়ে অপরাজিত ছিলেন।