ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

স্টাফ রিপোর্টার:

১০ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:০১

বিএনপি নেতা আসলামের জামিন আবেদন খারিজ

417_aslam-20180110211005.jpg
ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর জামিন আবেদন (নটপ্রেস রিজেক্ট) উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত মামলায় জারি করা রুলের ওপর আসামি ও দুদক উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ (নটপ্রেস রিজেক্ট) উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজের এ আদেশ দেন।

আদালতে আসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফয়সল মাহমুদ ফয়জী। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

পরে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ব্যাংকের ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা চট্টগ্রামের এক মামলায় হাইকোর্টের জারি করা রুলের ওপর শুনানিতে আসামির জামিন চাওয়া হয়। আদালত আসামি ও দুদক উভয়পক্ষের শুনানি শেষ করার পর আসামির জামিন দেবেন না জানান। তখন বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মামলায় রুল শুনানি প্রত্যাহার করে নিতে চাইলে আদালত তাদের আবেদন নটপ্রেস রিজেক্ট করেন। ফলে তার জামিন আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এখন তারা এ আবেদন নিয়ে অন্য কোর্টে যেতে পারবেন।

আসলাম চৌধুরী ২০১৬ সালের ১৫ মে ঢাকায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ নাশকতার অভিযোগে মামলা রয়েছে।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই এবি ব্যাংকের ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী ও ব্যাংকটির এমডিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার আর্জিতে অভিযোগ আনা হয়, এবি ব্যাংকের চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা থেকে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রাইজিং স্টিল লিমিটেডের নামে এবি ব্যাংকের চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা থেকে ৩২৫ কোটি ৭৫ টাকার ঋণ আত্মসাৎ করেন আসামিরা।

চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় এ মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস। মামলার বাকি আসামিরা হলেন- আসলাম চৌধুরীর ভাই আমজাদ হোসেন চৌধুরী, জামিলা নাজনিন মাওলা, বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ও এবি ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) বদরুল হক খান এবং এবি ব্যাংকের সাবেক এমডি ফজলুর রহমান

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসলাম চৌধুরীর পারিবারিক মালিকানাধীন রাইজিং স্টিল লিমিটেড পুরাতন জাহাজ কেনার জন্য ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনটি ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে এবি ব্যাংক চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা থেকে ৩২৫ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার ৯৫৫ টাকা ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করেননি।

রাইজিং স্টার লিমিটেড ওই শাখায় প্রথম এলসি খোলে ২০০৮ সালে। দুই বছর পর প্রতিষ্ঠানটি ৪০ কোটি ৯৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা দামে পুরনো জাহাজ আমদানি করে তা বিক্রি করলেও ব্যাংকের ঋণ পুরোটা পরিশোধ করেনি।

প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাংক ২০ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা পাওনা থাকার পরেও ২০১১ সালে আরও একটি এলসির মাধ্যমে একটি জাহাজ আমদানির সুযোগ দেয়া হয়। এ এলসির বিপরীতেও প্রতিষ্ঠানটি ২৬ কোটি ৪৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকার ঋণ পরিশোধ করে