ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি ডেস্ক:

১০ জুন ২০১৮, ০৮:০৬

সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে রাখতে কঠোরভাবে মনিটর প্রয়োজন

4172_Ahmad-AL-Kabir.jpeg
প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংকের করপোরেট ট্যাক্স কমিয়ে আনার প্রস্তাবকে যৌক্তিক বলে মনে করেন রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির। আমাদের অর্থনীতির সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ব্যাংকে আগে কর্পোরেট ট্যাক্স রেট বেশি ছিল, এখন একটা যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে। সিগারেটসহ দুয়েকটি খাত ছাড়া প্রায় সবগুলো খাতকেই এ পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়েছে বা তার নিচে নিয়ে আসা হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের কর্পোরেট ট্যাক্স একটা যৌক্তিককরণ করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।

তিনি আরও বলেন, এতদিন অনেকেই বলেছেন যে, ব্যাংকের করপোরেট ট্যাক্স রেট বেশি হওয়ায় বিনিয়োগে অনীহা ছিল, এ মনোভাবে হয়তো কিছুটা পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ব্যাংকিং খাতের করপোরেট ট্যাক্স কমানোর, কারণ ট্যাক্স রেট অনেক হাই। বাজেটে এই ট্যাক্স রেট কমিয়ে আনার প্রস্তাব আলটিমেট বেনিফিশিয়ারি হবে ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডাররা। কারণ ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে আছে। ট্যাক্স রেট কমলে শুধু যে একটা ক্ষুদ্র গোষ্ঠী বেনিফিটেড হবে তা সঠিক নয়। শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা করতে চাইছি আমরা। ব্যাংকগুলো অনেকদিন ধরেই শেয়ারবাজারে ডমিনেট করছে। ব্যাংকগুলো আরও অ্যাক্টিভলি থাকুক শেয়ারবাজারে। কর্পোরেট ট্যাক্স রেট কমালে ব্যাংকিং খাতকে উসকে দেওয়া হবে তা সঠিক নয়। নেই। আড়াই শতাংশ ট্যাক্স রেট কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে, বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. আহমদ আল কবির বলেন, অনেক প্রাইভেট ব্যাংক স্প্রেড ছয়-সাত শতাংশ রাখছে। টাকা আহরণ করল ৫-৬ শতাংশে আর যদি ল্যান্ডিং করা হয় এগারো-বারো শতাংশে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এটা চার শতাংশ রাখতে হবে। অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, এই স্প্রেড ৫ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রীর পরামর্শ বা নির্দেশ যেন বাস্তবায়ন করা হয়। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে স্ট্রিকলি মনিটর করতে হবে। এটা যদি সম্ভব হয় তাহলে অটোমেটিকভাবে ইন্টারেস্ট রেট সিঙ্গেল ডিজিট বা সহনশীল একটা পর্যায়ে চলে আসবে। তবে কাউকে এ বিষয়ে জোর করা যাবে না। কারণ প্রাইভেট সেক্টর এটা। জোর করলে বলা হবে, প্রাইভেট সেক্টর তার চরিত্র হারিয়ে ফেলবে। আমি মনে করি, নতুন অর্থবছরে ইন্টারেস্ট রেটের উপর মনিটরিং হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ক্লোজলি মনিটর করলে ইন্টারেস্ট রেট নয়-দশের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।