ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

নড়াইল প্রতিনিধি:

১৪ জানুয়ারি ২০১৮, ১৮:০১

আ’লীগ নেতা হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৯জনের ফাঁসি

484_284880_112.jpg

নড়াইলের ভদ্রবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রভাষ রায় (৪৭) হত্যা মামলায় ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুর রহমান মিনা (৫২), ছেলে আশিক মিনাসহ (২২) ৯জনকে ফাঁসির দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ রব হাওলাদার এ আদেশ দেন।

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- নড়াইল সদর উপজেলার মীরাপাড়ার ইলিয়াছ মিনা (৫৬), মোশারফ মিনার ছেলে রাসেল মিনা (৩০), হাতেম মোল্যার ছেলে বাশার মোল্যা (৩০), মোশারফ মোল্যার ছেলে রবিউল মোল্যা (২৫), হারান মোল্যার ছেলে এনায়েত মোল্যার (৫৩), পইলডাঙ্গা গ্রামের মতিয়ার মোল্যার ছেলে ইয়াসিন মোল্যার (২৪) ও মুসা মিনার ছেলে মামুন মিনা (২৮)।

রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট এনামুল হক।

মামলার বিবরণে এবং নিহত প্রভাষ রায়ের স্বজনেরা জানান, ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মিরাপাড়া বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথিমধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন আ’লীগ নেতা প্রভাষকে রাত আটটার দিকে কুপিয়ে জখম করে। প্রথমে তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে যশোরে স্থানান্তর করা হয়। যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুর রশিদ রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে প্রভাষ রায়কে মৃত ঘোষণা করেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, প্রভাষ রায়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি (২০১৭) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিহত প্রভাষ রায়ের স্ত্রী টুটুল রানী বাদী হয়ে নড়াইলের ভদ্রবিলা ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৯জনের নাম উল্লেখ করে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অজ্ঞাত আরো সাতজনকে আসামি করা হয়। ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নড়াইল সদর থানার উপ-পদির্শক (এসআই) ভবতোষ রায় ৯জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।