ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

স্টাফ রিপোর্টার

১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:০৯

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে আস্থার সঙ্কট : টিআইবি

6860_349863_197.jpg
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ক্ষেত্রে আস্থার সঙ্কট রয়েছে বলে মনে করেন টিআইবি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকাকালীন নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। নির্বাচনে হেরে গেলে ফলাফল মেনে না নেয়ার প্রবণতা রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।’

সোমবার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সুশাসন ও শুদ্ধাচার বিষয়ক একটি রিপোর্ট প্রকাশের জন্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতাকে একচ্ছত্রভাবে কেন্দ্রীয়করণের প্রবণতা বিদ্যমান। ফলে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি আস্থা হ্রাস পেয়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে একটি নির্বাচনে আস্থার সংকট রয়েছে।’

টিআইবির রিপোর্টে বলা হয়, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের আগে ইশতেহার প্রকাশে যতটা আগ্রহী থাকে, নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ইশতেহার বাস্ততবায়নে ততটা আগ্রহী থাকে না। তাই সরকার গঠনকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে পূর্ববর্তী নির্বাচনে দেয়া অঙ্গীকার কতটুকু পূরণ করছে সে সম্পর্কে রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে। সংসদে আত্মপরিচয়ে সংকটাপন্ন বিরোধীদলীয় সংস্কৃতি দেখা যায় বলে রিপোর্টে উঠে আসে।

এ সময় আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে অর্ন্তভুক্তির জন্য টিআইবি ৬টি ক্যাটাগরিতে ৩০টির বেশি সুপারিশ পেশ করে। সুপারিশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- সংসদে সরকারি দলের একচ্ছত্র ভূমিকা নিরুৎসাহিত করতে দলীয় প্রধান, সরকার প্রধান ও সংসদ নেতা একই ব্যাক্তি না হওয়া।

বিরোধী দলকে সংসদীয় কার্যক্রমে আরও বেশি সুযোগ দেওয়া, ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নিয়োগ দেওয়া, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে এমপিদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি। এমন কোনো আইন সংস্কার না করা যা দুদকের স্বাধীনতা এবং কার্যকারিতা খর্ব করে।