ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

আবু কাওছার আহমেদ, টাঙ্গাইল থেকে

১৮ অক্টোবর ২০১৮, ১৬:১০

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় পরবর্তী স্বাক্ষী গ্রহণ ২২ নভেম্বর

7893_kk.jpg
টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার রাষ্ট্রপক্ষের তিনজনের স্বাক্ষী গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই হত্যা মামলার প্রধান আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় এমপি আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে তাদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ দিকে এমপি আমানুর রহমান খান রানার আইনজীবীরা আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।  পরে জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মাকসুদা খানম আগামী ২২ নভেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার আদালত কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণের জন্যদিন ধার্য ছিল। সেই অনুয়ায়ী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী এমপি রানাকে টাঙ্গাইলের বিচারিক আদালতে আনা হয়। পরে ১১টা ৫ মিনিটে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মাকসুদা খানম এ চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার সাক্ষী ফারুক হাসান ভূইঞা সানি, সোলয়মান ও আনোয়ার হোসেন সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য হাজিরা প্রদান করে।

পরে এই তিনজন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য ও জেরা দুপুর ১টায় সমাপ্ত হয়।  এ সময় আসামীপক্ষ টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার জামিনের আবেদন করেন। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক এমপি রানার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন এবং বিচারক আগামী ২২ নভেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেন।

দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর এমপি রানা গত ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এই আদালতেই আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বেশ কয়েক দফা উচ্চ আদালত ও নিন্ম আদালতে আবেদন করেও জামিন পাননি তিনি।  

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে এবং ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা ও তার তিনভাইসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।