ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি, ঢাকা

১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৯:১১

মনোনয়নপত্র কিনলেন জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর

8586_2222.JPG
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন বাংলাদেশ  জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সংসদীয় ঢাকা-১৫  আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে (মিরপুর-কাফরুল) এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৫ আসন । জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী লস্কর মোহাম্মদ তসলিম  ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন।

 আজ বেলা ২.৩০ টায় জামায়াতের  ও বিশদলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতার পক্ষে মনোনয়নপত্র ক্রয় করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য নাজিম উদ্দীন মোল্লা, এ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দীন, এ্যাডভোকেট মাঈন উদ্দীন, এ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ, এ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, এ্যাডভোকেট শরীফ উদ্দীন খন্দকার, এ্যাডভোকেট শাহীন আখতার, এ্যাডভোকেট মীর নূরনবী উজ্জল, এ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দীন, এ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান আজাদ, এ্যাডভোকেট জোবায়দুর রহমান বাবু, এ্যাডভোকেট আব্দুল হাই চৌধুরী, এ্যাডভোকেট কে এম জসিম উদ্দীন, এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, এ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিক ও ছাত্রনেতা সালাহউদ্দীন আইয়ুবী প্রমূখ।
 মনোনয়নপত্র হাতে নিয়ে লস্কর মো. তসলিম সহ জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

জামায়াতের এই শীর্ষ  নেতার মনোনয়নপত্র ক্রয়কে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার  সকাল থেকেই  দলীয় নেতাকর্মীরা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমায়েত হতে থাকেন। 

ডা. শফিকুর রহমান  ১৯৫৮ সালের ৩১ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মো. আবরু মিয়া ও মাতা মরহুমা খাতিবুন নেছা। ৪  ভাই-বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তিনি  ১৯৭৪ সালে স্থানীয় বরামচল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি,  ১৯৭৬ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮৩ সালে সিলেট মেডিক্যাল কলেজ থেকে  এম বি বি এস ডিগ্রি লাভ করেন। তার স্ত্রী ৮ম জাতীয় সংসদের সদস্যা ছিলেন।  তার ২ মেয়ে ও ১ ছেলে। প্রথম মেয়ে এফসিপিএস (কার্ডিওলজি) অধ্যয়নরত এবং একটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেজিষ্টার হিসেবে কর্মরত। অপর মেয়ে এমবিবিএস। তিনি একটি  মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষকতা করছেন।  একমাত্র ছেলে এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।

জামায়াতের এই শীর্ষ  নেতা ১৯৭৩ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগদান করে সিলেট মেডিক্যাল কলেজ সভাপতি ও সিলেট শহর শাখা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  ১৯৮৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে  সিলেট শহর,  জেলা ও মহানগর আমীর  হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা,  কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য  ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। জননেতা ডা. শফিকুর রহমান ২০১০ সালে  কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল, ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এবং   ২০১৬ সালে সেক্রেটারী জেনারেল হিসাবে নিযুক্ত ।

ডা. শফিকুর রহমান রাজনীতির পাশাপাশি সমাজ সেবক, বলিষ্ঠ সংগঠক ও সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও সুনাম অর্জন করেছেন। তিনি একাধারে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মাদ্রাসা,  এতিমখানা সামাজিক সংগঠন,ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনার যোগদানের জন্য যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র , জার্মানি, ইতালি, স্পেন, গ্রীস, বেলজিয়ামসহ অনেক দেশে ভ্রমন করেছেন।