ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

এনএনবিডি ডেস্ক

১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৮:১২

আওয়ামী লীগের ৩৬, বিএনপির ৫ আসন ফাঁকা

9041_3......jpeg
একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের নামে যত মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে, তার আড়াই গুণ বেশি মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে বিএনপির নামে। এর মধ্যে ৩৬টি আসনে আওয়ামী লীগের নামে এবং বিএনপির ৫টি আসনে কোনো মনোনয়নপত্র জমা পড়েনি।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার পরদিন ইসির কর্মকর্তাদের কাছে এই তথ্য পাওয়া যায়।

এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে সারা দেশে ৩০০ আসনে মোট ৩০৬৫টি পূর্ণাঙ্গ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, আওয়ামী লীগের ২৮১টি, বিএনপির ৬৯৬টি, জাতীয় পার্টির ২৩৩টি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ১৩৫৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

দলীয় মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে মোট ২৫৬৭টি। এর বাইরে স্বতন্ত্র ৪৯৮টি মনোনয়নপত্র মিলিয়ে মোট সংখ্যা ৩০৬৫।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান জানান, ২৬৪টি আসনে আওয়ামী লীগের নামে ২৮১টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। বিএনপির নামে ৬৯৬টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ২৯৫টি আসনে।

অর্থাৎ ৩৬টি আসনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী এখনই নেই, এসব আসন জোটের অন্য দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়া নিশ্চিত। আবার ১৭টি আসনে দলের প্রত্যয়ন নিয়ে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করে রেখেছেন।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টি ও বিকল্প ধারার আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতা এখনও হয়নি। তা চূড়ান্ত হলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বরের পর জানা যাবে, জোটের কোন দল কতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

আওয়ামী লীগ বলে রেখেছে, জোট শরিকদের ৬৫-৭০টি আসন ছাড়তে পারে তারা। শরিকদের সঙ্গে সমঝোতার পর প্রতি আসনে একজন প্রার্থী রেখে অন্যদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হবে।

আওয়ামী লীগের ফাঁকা আসন
ঠাকুরগাঁও-৩; নীলফামারী-৩ ও ৪; লালমনিরহাট-৩; রংপুর-১ ও ৩; কুড়িগ্রাম-২; গাইবান্ধা-১; বগুড়া-২, ৩, ৪, ৬ ও ৭; রাজশাহী-২; কুষ্টিয়া-২; বরিশাল-৩ ও ৬; পিরোজপুর-২ ও ৩; ময়মনসিংহ-৪ ও ৮; কিশোরগঞ্জ-৩; মুন্সিগঞ্জ-১; ঢাকা-৪, ৬ ও ৮; নারায়ণগঞ্জ-৫; সুনামগঞ্জ-৪; সিলেট-২; মৌলভীবাজার-২; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২; ফেনী-১ ও ৩; লক্ষ্মীপুর-২ এবং চট্টগ্রাম-২ ও ৫।

বিএনপির ফাঁকা আসন
টাঙ্গাইল-৮, মৌলভীবাজার-২, কুমিল্লা-৭, লক্ষ্মীপুর-৪ ও চট্টগ্রাম-১৪।

নবম সংসদ নির্বাচনে দলভিত্তিক চূড়ান্ত প্রার্থী
আওয়ামী লীগ ২৬৪; বিএনপি ২৬০; জাতীয় পার্টি ৪৯; স্বতন্ত্র ১৫১; জাসদ ৭ (নৌকা ৪); ওয়ার্কার্স পার্টি ৫ (নৌকা ৩); বিজেপি ২ (ধানের শীষ); ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৬৭, বিকল্পধারা ৬৩; জমিয়তে ইসলাম ৭ (ধানের শীষ ২); জাকের পার্টি ৩৭; ইসলামী ঐক্যজোট ৪ (ধানের শীষ ২); জাগপা ২ (ধানের শীষ ১), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৪৭; গণফোরাম ৪৫; সিপিবি ৩৭; বাসদ ৫৭; জেএসডি ৪৫; বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ১৮; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৮, ন্যাপ ১৪; কল্যাণ পার্টি ৩৯; তরীকত ৩১; বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ৩৩; পিডিপি ২১; এনপিপি ৩০; জেপি ৭; বাংলাদেশ ন্যাপ ৫; গণফ্রন্ট ১৪; গণতন্ত্রী পার্টি ৫; বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ৫; বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ৫; ইসলামিক ফ্রন্ট ২; সাম্যবাদী দল ১ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ১০।

জামায়াত ৩৯টি, ফ্রিডম পার্টি দুটি; ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন ১১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল ওই নির্বাচনে। এ তিনটি দলের নিবন্ধন পরে বাতিল হয়েছে।