ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮

২৪ নভেম্বর ২০১৮, ১২:১১

আ.লীগের আসন সমঝোতা , কমছে জাপা ও ১৪ দলের শরিকদের

104_1.jpg
  • জাতীয় পার্টি ৩১
  • ১৪ দলের শরিকদের ১২
  • যুক্তফ্রন্ট ৮
  • ইসলামি দল ৫
জোটের শরিক ও মিত্রদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আসন সমঝোতার জট এখনো পর্যন্ত খোলেনি। তবে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ আগের উদার মনোভাব থেকে সরে এসেছে। নতুন চিন্তায় ১৪ দলের শরিক ও জাতীয় পার্টির ভাগে আসনসংখ্যা কমছে। সেটা ৫৫-৬০টির মতো হতে পারে বলে জানা গেছে। এ ক্ষেত্রে নতুন মিত্র যুক্তফ্রন্ট এবং ধর্মভিত্তিক দলগুলো অপেক্ষাকৃত লাভবান হতে পারে।
আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্র থেকে এমন আভাস পাওয়া গেছে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) ৩১টি, ১৪-দলীয় শরিকদের ১২টি, বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টকে ৮টি, ধর্মভিত্তিক কয়েকটি দলকে ৫টি আসন দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে।

এ ছাড়া বিএনপিসহ বিরোধী জোট থেকে মনোনয়ন না পেয়ে বেরিয়ে আসতে পারেন—এমন সম্ভাব্য নেতাদের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কিছু আসন রেখে দেওয়া হতে পারে। আবার জাপা বা অন্য শরিকদের সঙ্গে একমত না হতে পারলে কিছু আসন সবার জন্য উন্মুক্তও করে দেওয়ার চিন্তা আছে। এ ধরনের আসন পাঁচটির মতো হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগে জোটের শরিক ও মিত্রদের জন্য ৭০টি আসন ছেড়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা ছিল। এখন ৬০টির মতো চিন্তা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমতে পারে এইচ এম এরশাদের জাতীয় পার্টির আসন।

জাপার সঙ্গে জটিলতা
জাপা সূত্র জানায়, তারা শুরুতে ৮০টি আসন নিয়ে দর-কষাকষির আওয়াজ দিলেও তাদের ৪৫টি আসন দেওয়ার আভাস দেওয়া হয়েছিল। তারা ৬০ আসনের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জেই ৯টি আসন দাবি করছে জাপা। ফলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ব্যাপক জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারি দলের উচ্চপর্যায়ের সূত্র বলছে, এখন জাপাকে ৩১টি আসন দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে আওয়ামী লীগ। যদিও বর্তমানে জাপার ৩৪ জন সাংসদ রয়েছেন। জাপার দুই-একটি বাড়তে, সেটা নির্ভর করছে এরশাদের দর-কষাকষির ওপর।

২০১৪ সালের একতরফা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ মিলে জাপা ৫টি আসন পেয়েছিল। এর মধ্যে ঢাকা-১ সালমা ইসলাম, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ, নারায়ণগঞ্জ-৫ নাসিম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন। এবার এসব আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৮, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনও চাইছে জাপা।

ঢাকা-১ আসনে বর্তমান সাংসদ জাপার সালমা ইসলাম। গতবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল মান্নান খান। সারা দেশে সমঝোতার নির্বাচন হলেও গতবার আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়। জয়ী হন সালমা ইসলাম। এবার এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ব্যবসায়ী নেতা সালমান এফ রহমান প্রার্থী হতে আগ্রহী। জাপার সালাম ইসলামও আসনটি চাইছেন। তাই এবারও আসনটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা আছে।

গুলশান, বনানী ও সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ এবং রূপগঞ্জ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন। এই দুটিই চাইছেন জাপার চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। তবে আওয়ামী লীগ যেকোনো একটা এরশাদের জন্য ছাড়তে রাজি। এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার এরশাদের ওপরই।

ঢাকা-১৭ আসনে ২০০৮ সালে এরশাদ মহাজোটের শরিক হিসেবে সাংসদ হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে এখানে সাংসদ হন বিএনএফের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনে দুবারের সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজী। এবার এই আসনে এরশাদ হঠাৎ প্রার্থী হতে চাওয়ায় আওয়ামী লীগ অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্র বলছে, রূপগঞ্জ আসনটি আওয়ামী লীগ এরশাদকে ছেড়ে দিলে নারায়ণগঞ্জে জাপাকে তিনটি আসন ছাড়তে হবে। কারণ, পাশের সোনারগাঁ এলাকা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ ও সদর এলাকা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বর্তমান সাংসদ জাপার। ফলে ঢাকার পাশের এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলাতেই তিনটি আসন ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে সেলিম ওসমানকে হয়তো ছেড়ে দেবে আওয়ামী লীগ। তবে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এস এম মাসুদ (দুলাল) শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। আরেক সাবেক সাংসদ কায়সার হাসনাতও আগ্রহী।

ঢাকা-১৩ মোহাম্মদপুর আসনের বর্তমান সাংসদ জাহাঙ্গীর কবির নানক এবার মনোনয়ন থেকে বাদ পড়ছেন বলে জোরালো আলোচনা আছে। জাপার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে জাপার একমাত্র কাউন্সিলর শহিদুল ইসলামকে প্রার্থী হিসেবে চাইছে দলটি। তবে আওয়ামী লীগ আসনটি ছাড়তে চায় না। এখানে সাবেক সাংসদ মকবুল হোসেন আছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানও আগ্রহী। আছেন কয়েকজন ব্যবসায়ীও।

জাপার মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, এখনো আসন সমঝোতার আলোচনা চলছে। জাতীয় পার্টির আসন সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের ওপর তাদের আস্থা আছে। ঠকবেন না বলে তাঁর বিশ্বাস।

অন্ধকারে ১৪ দল
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন দীর্ঘদিনের জোট ১৪ দলের শরিকেরা আসন নিয়ে এখনো অন্ধকারে। তাদের সঙ্গে এখন পর্যন্ত আসন সমঝোতার আনুষ্ঠানিক আলোচনাই করেনি আওয়ামী লীগ। আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে জয়ী হতে পারেন এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা দেন তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে শরিকদের। এ জন্য শরিকেরা অনেকটাই নিশ্চিত যে ২০১৪ সালের তুলনায় এবার ১৪ দলের শরিকদের আসন কমবে। গত নির্বাচনে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, তরীকত ফেডারেশন ও জাতীয় পার্টি (জেপি) ১৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল। এবার সেটা কমে ১২টি হতে পারে।

নড়াইল-২ আসনে ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মোর্তজা মনোনয়ন পাচ্ছেন—এটা নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফলে এখানকার বর্তমান সাংসদ ওয়ার্কার্স পার্টির হাফিজুর রহমান বাদ পড়ছেন। এর বদলে অন্য কোনো আসন ওয়ার্কার্স পার্টিকে দেওয়া হবে নাকি একটা আসন কম নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে—তা এখনো জানেন না দলটির নীতিনির্ধারকেরা।
আরেক শরিক জাসদ দুই ভাগে বিভক্ত। হাসানুল হক ইনুর ভাগে বর্তমানে তিনজন সাংসদ আছেন। তবে বগুড়ায় তাঁর দলের রেজাউল করিম তানসেনের বদলে আওয়ামী লীগের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা আছে।

জাসদের আরেক অংশের কার্যকরী সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধানকে হয়তো এবারও ছাড় দেওয়া হবে। তবে দলের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া নড়াইল-১ আসন চাইছেন। সেটা এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।

জেপির সভাপতি ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর আসন নিশ্চিত হলেও তাঁর দলের অন্য কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয় আওয়ামী লীগ। গণতন্ত্রী পার্টি ও ন্যাপ একটি করে আসন পেলেই খুশি। কিন্তু তাদের দুই দলকেই আসন দেওয়ার সম্ভাবনা কম বলে আওয়ামী লীগের সূত্র জানিয়েছে।
আসন সমঝোতার বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সাংবাদিকদের বলেন, তাঁদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। বর্তমান সাংসদ যাঁরা আছেন, তাঁদের রেখে দেওয়া হবে-এমন আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এরই মধ্যে নড়াইলে ওয়ার্কার্স পার্টির একটি আসন চলে যাওয়ার কথা শোনা গেছে। তবে আসন নিয়ে দ্রুত আনুষ্ঠানিক সমঝোতা চান তাঁরা।

ধর্মভিত্তিক দল
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বর্তমান সাংসদ হলেন ১৪ দলের শরিক তরীকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়াল। তিনি এখন ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স নামে একটি জোটের কো-চেয়ারম্যান। এ জোট থেকে কেবল তাঁর আসনটি নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

এবার আউয়ালের সাবেক দল তরীকত ফেডারেশন এই আসনে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের মালিক মো. আনোয়ার খানকে চাইছে। যদিও আনোয়ার খান রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।

তরীকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর চট্টগ্রাম-২ আসনটি মোটামুটি নিশ্চিত।
নতুন মিত্র ইসলামী ঐক্যজোটের সহসভাপতি আবুল হাসনাত আমিনীকে (প্রয়াত মুফতি আমিনীর ছেলে) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবং ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ চাঁদপুর-৫ আসন থেকে এবং জাকের পার্টিকে একটি আসন দেওয়া হতে পারে।

লাভবান হচ্ছে যুক্তফ্রন্ট
যুক্তফ্রন্ট গঠনই হয়েছে কয়েক মাস আগে, মূল দল এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা। বাকি নেতারা বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ছেড়ে এখানে এসেছেন। ২০০৮ সালের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে এই জোটে থাকা কোনো নেতাই সাংসদ হতে পারেননি। জোটের প্রধান বিকল্পধারার সভাপতি বি চৌধুরী ঢাকা-৬ ও মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে ভোট করে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেননি। বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান ঢাকা, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের তিনটি আসনে ভোট করে শোচনীয় পরাজয়ের শিকার হন। ২০১৪ সালের নির্বাচন তাঁরা বর্জন করেন।

এবার যুক্তফ্রন্ট আসন সমঝোতায় সবচেয়ে লাভবান হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের সূত্র জানিয়েছে। জোটটির নেতারা পাঁচটি আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন বলে আলোচনা আছে। এর মধ্যে বি চৌধুরী ঢাকা-১১ আসনে (বাড্ডা-বারিধারা), তাঁর ছেলে মাহী বি চৌধুরী মুন্সিগঞ্জ-১ ও বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন বলে আলোচনা আছে।

এর বাইরে সিলেট-৬ আসনে সমশের মবিন চৌধুরীর মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। এই আসনের বর্তমান সাংসদ শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ। সম্প্রতি বিএনপি থেকে যুক্তফ্রন্টে যোগ দেন এম এম শাহীন। তাঁকে মৌলভীবাজার-২ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। সদ্য যুক্তফ্রন্টে আসা জাপার সাবেক দুই সাংসদ গোলাম সারোয়ার (মিলন) মানিকগঞ্জে ও গোলাম রেজা সাতক্ষীরায় এবং বিএনপি জোট থেকে বেরিয়ে আসা এনডিপির জেবেল রহমান গাণি নীলফামারীতে মনোনয়ন পেতে পারে। তবে যুক্তফ্রন্টের আরও কয়েকজন নেতার জন্য আসন চাইছে।

এ বিষয়ে বিকল্পধারার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সমশের মবিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে। এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।

আজ-কালের মধ্যে তালিকা চূড়ান্ত
আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, দলের পক্ষ থেকে সবকিছু ছেড়ে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর। তিনি যাঁকে যতগুলো আসন দিয়ে পারেন, সমঝোতা করবেন। শিগগির এইচ এম এরশাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। এরপরই ১৪ দল ও ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। আজ বা আগামীকালের মধ্যে আওয়ামী লীগ, জোট ও মিত্রদের তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে। তবে এখনই তালিকা প্রকাশ করবে না।

শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগ নিয়ে জটিলতা হচ্ছে কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘দর-কষাকষি হলেও কোনো ধরনের টানাপোড়েন নেই। এখানে বানরের পিঠা ভাগ করে তো লাভ নেই। সব কিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে। মৌখিকভাবে জোটের আসন চূড়ান্ত হয়েছে।’