• , |
  • ঢাকা, বাংলাদেশ ।
সর্বশেষ নিউজ
* যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা * ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর সুযোগ নেই * যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপে বিশ্ব নেতাদের ক্ষোভ * তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিলেন ড. ইউনূস * ভূরাজনীতিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত যে বিষয়ে এক কাতারে * ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস * যান্ত্রিক ত্রুটিতে ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, প্রশিক্ষণরত পাইলট নিহত * ইরানের পরমাণু আলোচনা ব্যর্থ হলে সংঘাত ‘প্রায় অনিবার্য’: ফ্রান্স * ইউনূস-মো‌দি বৈঠক কাল * ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সতর্ক থাকতে হবে: সেলিম উদ্দিন

ছেলে হয়ে জন্মালে ক্রিকেটার হতেন সানিয়া মির্জা

news-details

ফাইল ছবি


সম্প্রতি টেনিস ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন সানিয়া মির্জা। আর সাবেক এই টেনিস কিংবদন্তি মনে করেন, তিনি যদি ছেলে হয়ে জন্মাতেন, তাহলে হয়তো ক্রিকেটই খেলতেন। এক সাক্ষাৎকারে সানিয়া মির্জা বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, আমি যদি মেয়ে না হয়ে ছেলে হয়ে জন্মাতাম, তাহলে হয়তো ক্রিকেটই খেলতাম। এমনিতে মনে হয়, ক্রিকেট খেলাটা যেন আর পাঁচটা খেলার থেকে আলাদা।’ পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের স্ত্রী এ ভারতীয় টেনিস তারকা বলেন, ‘তবে আমি মেয়ে হওয়ার জন্যই হয়তো মনে হতো ক্রিকেটটা আমাদের খেলা নয়। এই চিন্তাধারাটা অবশ্যই হালের নয়। আমি বলতে চাই, সেটা প্রায় ত্রিশ বছর আগের সাধারণ ভারতীয়-মনোভাব।’ 

সানিয়া মির্জার ক্যারিয়ার পরিসংখ্যানটা ঝলমলে। ছয়টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম, ৪১টি ডাবলস জয়। অনেক সাফল্য, অনেক ইতিহাস। তারপর হঠাৎ অবসরের সিদ্ধান্ত। সানিয়া মির্জার অবসরের ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই তাই মেনে নিতে পারছিলেন না অনেকে।

তবে নিজের অবসর নিয়ে কোনো খেদ নেই সানিয়ার। নিজের অবসর প্রসঙ্গে একবার বলেছিলেন, ‘আমি মাথা উঁচু করে টেনিসকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলাম। তাই মনে হলো, এটাই অবসরের ঠিক সময়। জানি, এখনও আমার বড় ম্যাচ জেতার ক্ষমতা রয়েছে। 

সেই আত্মবিশ্বাসে ভর করেই শেষ গ্র্যান্ড স্লামে খেলেছি। আসলে আমি ওই পর্যায়ে খেলতে পছন্দ করি। এখনও কেন খেলা ছাড়ছি না, এটা শোনার থেকে ‘কেন খেলা ছাড়লেন’ শোনা আমার কাছে অনেক বেশি তৃপ্তিদায়ক। বরাবর আমি কঠিন থেকে কঠিনতর চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেছি। তার জন্য পরিশ্রম, আত্মত্যাগ কম কিছু করতে হয়নি। সেই তাগিদটায় ঘাটতি আসুক চাইনি। তাই মনে হলো, এটাই খেলা ছাড়ার আদর্শ সময়।’

কে ছিলেন তার ‘রোল-মডেল’? এমন প্রশ্নের শুরুতেই সানিয়া বলেছেন জার্মান কিংবদন্তি স্টেফি গ্রাফের নাম। সঙ্গে এটাও মনে করিয়েছেন, তার বেড়ে ওঠার সময়কালে একমাত্র পি টি উষা (দৌড়বিদ) ছাড়া কোনো ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড়কে নিয়েই সেই অর্থে আলোচনা হতো না। সানিয়া বলেন ‘আমার বেড়ে ওঠার সময় যাবতীয় প্রচারটা ছিল স্টেফি গ্রাফকে কেন্দ্র করে। হয়তো সেই কারণেই ওকে আদর্শ ভেবে নিয়েছিলাম। আমাদের দেশে সে সময় পি টি ঊষাকে নিয়েও প্রচুর আগ্রহ ছিল। গোটা উপমহাদেশে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ঘুরত ঊষার নাম। সে সময় ভারতের কোনো মেয়ে অ্যাথলিট হতে চাইলে ঊষাকে সামনে রেখেই নিজেদের উদ্বুদ্ধ করতো।’

সানিয়া জীবনের শেষ ম্যাচ খেলেন দুবাই টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে মেয়েদের ডাবলসে। যেখানে প্রথম রাউন্ডেই হেরে বিদায় নেন তিনি। টেনিস ছাড়ার পর অবসরের পরবর্তী ক্যারিয়ার হিসেবেও বেছে নেন ক্রিকেটকে। সর্বশেষ নারী আইপিএলে তিনি রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মেন্টরের দায়িত্ব সামলান।


স্পোর্টস ডেস্ক

মন্তব্য করুন